রমযানে খাদ্য দানেও রয়েছে মহা পুরস্কার
খাদ্যদান।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
তোমরা বেশি বেশি সালামের প্রচলন ঘটাও, ক্ষুধাপীড়িত হতদরিদ্রদের আহার্য দান কর, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা কর, নিভৃত রজনীতে মানুষ যখন ঘুমে বিভোর থাকে, তখন তোমরা সালাত আদায় কর, তা হলে নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। [সুনানে তিরমিযী : হাদীস নং ২৪৮৫]।
আমাদের পূর্বসূরিগণ ক্ষুধাপীড়িতদের আহার্যদের দান করাকে একটি মহত ইবাদত মনে করে আঞ্জাম দিতেন। তিরমিযীতে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ
করেছেন-
أيما مؤمن أطعم مؤمنا على جوع أطعمه الله يوم
القيامة من ثمار الجنة وايما مومن سقى مؤمنا على ظماء سقاه الله يوم القيامة من الرحيق المختوم .কোন ঈমানদার ব্যক্তি অপর কোন ঈমানদার ক্ষুধার্তকে আহার্য দান করলে আল্লাহ তাকে
জান্নাতের ফলমূল আহার করাবেন। আর যদি কোন পিপাসার্ত মুমিনকে পানি পান করায়, তা হলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের এমন অমৃত সুধা পান
করাবেন, যার ফলে সে আর কোনদিন পিপাসার্ত হবে না। [সুনানে তিরমিযী : হাদীস নং ২৪৪৯] ।
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) নিয়মিত এতিম ও দুঃস্থদের সাথে নিয়ে ইফতার করতেন। রাসূলুল্লাহ ও ইরশাদ করেছেন-
من فظرصائما گان له مثل أجره، غير أنه لا ينقص من أجر الصائم
شيا
যে ব্যক্তি কোন সওম পালনকারী মুমিনকে ইফতার করাবে, তার জন্য এটা ভ্রষ্টতা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের
উপায় হবে। পাশাপাশি সে-ও সওম পালনকারী ব্যক্তির মত পুণ্য লাভ
করবে। এতে সওম পালনকারীর পুণ্যে সামান্যতমও ঘাটতি হবে । [সুনানে তিরমিযী : হাদীস নং ৮০৭]


No comments
মন্তব্যের জন্য আল বেলায়েত মিডিয়া এর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।