রমযান উদারতা ও বদান্যতা শিক্ষা দেয়
রমযান উদারতা ও বদান্যতা শিক্ষা
দেয়:
উদারতা ও বদান্যতা এমনিতেই একটি মহৎ গুণ। পবিত্র মাহে রামাদানে এর কদর ও ফযীলত বেড়ে যায় আরও
বহু বহু গুণ। রাসূলুল্লাহ (সা.) , পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ দানশীল। রামাদান শুরু হলে তাঁর দানশীলতা ও উদারতা আরও বহুগুণ
বেড়ে যেত।।
আল্লাহ তায়ালা দুঃখ-দুর্দশা ও দূরাবস্থার মাধ্যমে বান্দার অন্যায়-অনাচার ও
পাপসমূহ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে দেন। যাবতীয় দোষত্রুটি ঢেকে দেন। বদান্যতাও পাপসমূহ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে দেয়। তাছাড়া পানি যেমন আগুনকে নিভিয়ে দেয়, বদান্যতা তদ্রূপ আল্লাহর। ক্রোধাগ্নিকে নির্বাপিত করে দেয়।
তারীখে বাগদাদ গ্রন্থে উল্লেখ আছে, এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ, এর কাছে এসে নিজের ঋণ পরিশোধের জন্য কিছু। রুপা মুদ্রার আবেদন করল। তিনি একটি চিরকুট লিখে দিয়ে লোকটিকে তার ভারপ্রাপ্ত কার্যনির্বাহীর কাছে পাঠিয়ে
দিলেন। ভারপ্রাপ্ত কার্যনির্বাহীর সামনে উক্ত চিরকুট
উপস্থাপন করলে তিনি আগন্তুককে জিজ্ঞাসা করলেন- তুমি কী পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছ? লোকটি উত্তর দিল- সাতশ রৌপ্যমুদ্রা। ভারপ্রাপ্ত কার্যনির্বাহী দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে একটি
চিরকুট লিখে ইবনুল মোবারকের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। তাতে লেখা ছিল- লোকটি আপনার কাছে ঋণ চেয়েছে সাতশ' রৌপ্যমুদ্রা, অথচ আপনি তাকে সাত হাজার রৌপ্যমুদ্রা দেওয়ার কথা লিখে দিয়েছেন! এই পরিমাণ
রৌপ্যমুদ্রা দিয়ে দিলে তো আমাদের ভাণ্ডার শূন্য হয়ে যাবে!
আবদুল্লাহ ইবনে মোবারক পুনরায় লিখে পাঠালেন- জীবন থাকলে অর্থ অনেক আসবে। অতএব, তুমি তাকে সে পরিমাণই দিয়ে দাও |


No comments
মন্তব্যের জন্য আল বেলায়েত মিডিয়া এর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।